তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বাণী

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় দিন হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে গণমানুষের নেতা তারেক রহমান তাঁর প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরছেন।

২০১৮ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের একটি ফরমায়েসি রায়ে জেলে নেওয়ার পর, তারেক রহমান ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থেকেও তিনি দেশের গণতন্ত্র, রাজনৈতিক অধিকার ও সাংগঠনিক ঐক্যের প্রশ্নে অবিচল থেকেছেন। বিএনপি’র তৃণমূল থেকে, দলের স্থায়ী কমিটি পর্যন্ত সব স্তরের নেতা-কর্মীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগের মাধ্যমে এবং অভিনব কর্মসূচী প্রণয়নের মাধ্যমে তিনি ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন, নিরলস ভাবে। এই সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তারেক রহমান বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন থেকে শুরু করে, কোটা সংস্কার আন্দোলন- প্রত্যেকটি আন্দোলনেই তিনি তরুণদের উজ্জীবিত করেছেন। সর্বশেষ ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনেও তাঁর অপরিসীম বুদ্ধিদৃপ্ত রাজনৈতিক কৌশলের কাছে, ফ্যাসিস্ট পরাজিত হয়। বাংলাদেশে দীর্ঘ স্বৈরশাসনের অবসান ঘটে।

দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক টেকসই উন্নয়নই তারেক রহমানের অঙ্গীকার। ইতিমধ্যেই নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, জ্বালানি জলবায়ু ও পরিবেশ, ক্রীড়া সব ক্ষেত্রেই তিনি আধুনিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী বাংলাদেশের পরিকল্পনা জনপরিসরে উপস্থাপন করেছেন। দেশের স্বার্বভৌমত্ব রক্ষায় সদাজাগ্রত, গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রাণপুরুষ, তারেক রহমানের হৃদয় উৎসারিত সেই অমিয় বাণী “সবার আগে বাংলাদেশ” কোটি কোটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে।

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব) এর পক্ষ থেকে তাঁর এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানাই এবং তিনি সামনের দিনে স্বশরীরে দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং উন্নতি-অগ্রগতিতে সফল নেতৃত্ব দিবেন এই প্রত্যাশা করি। তাঁর স্লোগান “করবো কাজ, গড়বো দেশ; সবার আগে বাংলাদেশ”
এই প্রত্যয় ও বিশ্বাসকে হৃদয়ে ধারণ করে সকল প্রকোশলীরা কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

প্রকৌশলী শাহরিন ইসলাম তুহিন
আহ্বায়ক
এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এ্যাব)

What's your reaction?
0Cool0Upset0Love0Lol
to top